মধ্যরাতের মুখোমুখি লড়াই: রুয়েটে ছাত্র রাজনীতির ছায়া
মধ্যরাতে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসটা হঠাৎ জেগে ওঠে দুটো শক্তির টানাপোড়েনে—একদিকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা, অন্যদিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা সত্ত্বেও, ক্যাম্পাসের দেয়ালে লেখা স্লোগান আর পোড়ানো ব্যানার একসময় শান্ত প্রাঙ্গণকে রূপ দেয় tension মহড়ায়। শিক্ষার্থীদের ক্ষোভের মূলে সেই প্রশ্ন: নিষেধাজ্ঞা আছে, কিন্তু কার্যকর পদক্ষেপ কোথায়?
গত ২৩ এপ্রিল চট্টগ্রাম সিটি কলেজে clash হওয়ার পর রুয়েটের দেয়ালে লেখা হয়, ‘গুপ্ত রাজনীতির’ বিরুদ্ধে আওয়াজ। এরপর ২৬ এপ্রিল সাধারণ protest কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে ব্যানার টাঙান—দাবি, প্রকাশ্য আর গোপন, দুই ধরনের রাজনীতিই বন্ধ হোক। কিন্তু কেউ কেউ banner ছিঁড়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এই কাজটি ফেসবুক পেজে ছড়িয়ে পড়তেই ক্যাম্পাসে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। নিষেধাজ্ঞা আছে, আইন আছে, কিন্তু কারও ভয় নেই—এই অনুভূতি ছড়িয়ে দেয় হতাশা।
রবিবার রাত সাড়ে ১২টায় সেই হতাশা রূপ নেয় মিছিলহিসেবে। শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের সড়ক প্রদক্ষিণ করে জিয়া হলের সামনে পৌঁছতেই দেখেন, ৩০-৩৫ জন ছাত্রদল নেতাকর্মী ইতিমধ্যে সেখানে অবস্থান নিয়েছেন। দলের slogan আর প্রতিবাদীদের counter চিৎকারে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে। মুখোমুখি অবস্থান, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া—confrontation দাঁড়ায় উত্তপ্ত প্রান্তে। দেখতে-দেখতে শিক্ষার্থীদের শান্তির প্রত্যাশা পরিণত হয় এক মুখোমুখি দ্বন্দ্বে।
খবর পেয়ে রুয়েট প্রশাসনের কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে আসেন। ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের উপপরিচালক official এবং সহকারী পরিচালক assistant পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং শিক্ষার্থীদের calm করার চেষ্টা করেন। কিন্তু প্রশ্ন রয়ে যায়: প্রশাসন কি শুধু উপস্থিতি দেখাবে, নাকি স্থায়ী সমাধান আনবে? ছাত্রদের মধ্যে অবিশ্বাস এখন এক ধরনের সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে। তাদের বক্তব্য—নীতি হাতে থাকলেও দায়িত্ব কেউ নিচ্ছেন না।
ছাত্রদলের নামে যদি 'গুপ্ত রাজনীতি' চলে, তাহলে নিষেধাজ্ঞার meaning অর্থ কী থাকে?
ব্যানার পোড়ানো কোনো সভ্য আচরণ না। এটা বিদ্বেষের চিহ্ন।
প্রতিবাদ করা ঠিক আছে, কিন্তু মিছিলের সময় timing মধ্যরাত কেন?
প্রশাসনের নির্বাকতা আসল সমস্যা। তারা যদি দায়বদ্ধতা না দেখায়, তবে শৃঙ্খলা কীভাবে ফিরবে?
ছাত্রদল আগে থেকে সেখানে ছিল? তাদের উপস্থিতি কি ইচ্ছাকৃত ছিল?
প্রতিবাদের অধিকার আছে, কিন্তু কাজের মধ্যে হিংসা ঢুকলে তা অবশ্যই দুর্বল করে দেয়।