ছাত্ররা চায় না গুপ্ত রাজনীতি—হুইপের সংসদে স্পষ্ট বার্তা
শিক্ষার্থীরা আর কোনো secret রাজনীতি দেখতে চায় না—এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির সংসদ সদস্য ও সরকারি দলের হুইপ রকিবুল ইসলাম। আজ সোমবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন, যেখানে তিনি open রাজনীতির দাবি জানান। ছাত্রছাত্রীদের ক্যাম্পাসকে অশান্তি থেকে মুক্ত রাখার পাশাপাশি তারা চায়, সব আলোচনা হোক transparent ও স্পষ্টভাবে। এটি শুধু শিক্ষার্থীদের দাবি নয়, একটি যুগের প্রতিধ্বনি।
রকিবুল ইসলাম সতর্ক করে বলেন, যদি কেউ mob ক্রিয়েট করে ক্যাম্পাসে অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করে, তবে তা সাধারণ যুবসমাজের জন্য কোনো ভালো বার্তা বয়ে আনবে না। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা অনেক time নষ্ট করেছে, এখন তারা চায় না আর কোনো বিশৃঙ্খলা ফিরুক। এই বার্তা কেবল রাজনৈতিক নয়, একটি প্রজন্মের নৈতিক ঘোষণাও বটে—যারা রক্ত দিয়ে campus ফিরে পেয়েছে, তারা আর সেটা হারাতে চায় না।
তিনি আরও বলেন, রাজনীতি যদি হয়, তবে তা হবে সবার মতামতের ভিত্তিতে গঠিত একটি সম্মিলিত রূপরেখা অনুযায়ী। কোনো গোপন ষড়যন্ত্র বা অদৃশ্য হাত নয়—সবকিছু হবে visible । তিনি জোর দেন যে, ক্যাম্পাসে রাজনীতি হোক মেধার ভিত্তিতে, যা গড়ে তুলবে দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব। এটি কোনো আদর্শগত মন্তব্য নয়, বরং অভিজ্ঞতার আলোকে করা একটি বাস্তব দাবি।
রকিবুল ইসলাম এও উল্লেখ করেন যে, ক্যাম্পাসে কী ধরনের রাজনীতি চলবে সে বিষয়ে সংসদেও discussion হওয়া সম্ভব। এটি নির্দেশ করে যে, ক্যাম্পাস শুধু শিক্ষার জায়গা নয়, এটি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রশিক্ষণক্ষেত্র। তিনি স্পষ্ট করেন, ফ্যাসিস্ট আমলের দিনগুলোতে ফিরে যাওয়ার কোনো desire নেই তাদের—যেখানে ভয় ও নিয়ন্ত্রণ ছিল প্রধান হাতিয়ার। ছাত্রসমাজ চায় একটি নতুন যুগ, যেখানে মেধা আর peace হবে অগ্রাধিকার।
অবশেষে কেউ স্পষ্ট কথা বললেন। গুপ্ত রাজনীতির যুগ শেষ হোক। স্পষ্টতা চাই আমরা।
ছাত্ররা আসলে নিরাপদ পরিবেশ চায়—কোনো মব ক্রিয়েটের বদলে যদি ক্লাসের মাইক্রোফোন চালু হয়, সেটাই বড় জয় হবে।
আচ্ছা, সংসদ কি সত্যিই ক্যাম্পাসের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করবে? control নিয়ন্ত্রণ আর স্বাধীনতাের মধ্যে ভারসাম্য কীভাবে থাকবে?
‘মব ক্রিয়েট’—এই শব্দগুলো শুনলেই মনে হয় কেউ রাস্তা থেকে গুন্ডাদের ডাকছে। ক্যাম্পাস সেখানে নয়।
ছাত্ররা আর রাজনৈতিক খেলার পাঁচ নম্বর হতে চায় না। তারা চায় নিজেদের পরিচয় মেধায়, নয় পার্টি ব্যাজে।
মেধা আর শান্তির কথা বলছেন, কিন্তু কে কাকে দায়ী করবেন যখন অশান্তি শুরু হবে? বক্তব্য ভালো, কিন্তু বাস্তবতা?
আমি একজন শিক্ষক। ছাত্ররা সত্যিই পরিবর্তন চায়। তাদের voice কণ্ঠ শোনা হোক।