রুয়েটে শিক্ষার মুখে মাইক, রাজনীতি চাই না—ছাত্রদের ডাক
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট)-এর ক্যাম্পাস আজ কেঁপে উঠেছে এক অভাবনীয় দাবির সুরে। শিক্ষার্থীরা মাইকের মুখে বলছে, politics চাই না, education চাই। সোমবার দুপুরে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তারা এমন একটি পরিবেশ চাইছে যেখানে গবেষণা আর ক্লাসের শান্তি নষ্ট না হয় দলের rally বা শ্লোগানের গর্জনে। বহু ছাত্রের মুখে একই কথা—ফ্যাসিস্ট আমলের ছায়া আর চাই না। রুয়েটে যেন শুধু পড়াশোনার রাজত্ব কায়েম হয়।
এই প্রতিবাদের মূল দাবি স্পষ্ট: ক্যাম্পাসে ছাত্র politics নিষিদ্ধ হোক। গত ১০ আগস্ট ২০২৪-এ একটি প্রজ্ঞাপনে রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হলেও তাতে guideline নেই কীভাবে বা কী ধরনের রাজনীতি বন্ধ হবে। তাই ছাত্ররা বলছে, নিষেধাজ্ঞা শুধু কাগজে নয়, বাস্তবেও কার্যকর হোক। তারা boycott করেছে ক্লাস ও পরীক্ষা, প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে বেছে নিয়েছে direct অ্যাকশান। শ্লোগানে ধ্বনিত হয়েছে—‘ওয়ান-টু-থ্রি-ফোর, রাজনীতি নো মোর!’
উত্তেজনার সূত্রপাত গত রাতে, যখন সাধারণ ছাত্রদের ঝুলানো একটি ব্যানার burned হয়। তারপরই শুরু হয় গণ-অসন্তোষ। ছাত্রদল সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করছে, রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও কিছু সংগঠন secret কার্যক্রম চালাচ্ছে। আবার ছাত্ররা বলছে, administration যেন দৃঢ় অবস্থান নেয়। ছাত্রকল্যাণ পরিচালক ড. রবিউল ইসলাম সরকার বলেছেন, তারা effort করছে বিষয়টি সুরাহা করতে।
রুয়েটের এই আন্দোলন শুধু একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা নয়—এটি বাংলাদেশের ছাত্রজীবনের এক গভীর বিভাজনের প্রতীক। ক্যাম্পাস কি হবে শিক্ষার স্বর্গ, নাকি দলীয় লড়াইয়ের ময়দান? ছাত্ররা এখন peace চাইছে, research চাইছে। কিন্তু প্রশ্ন রয়েছে—কতটুকু স্বাধীন হবে ক্যাম্পাস, যদি রাজনীতির ছায়া এখনও ঘনিয়ে থাকে? এই বিক্ষোভ হয়তো একটি নতুন যুগের beginning —যেখানে ছাত্ররা নিজেদের পরিচয় খুঁজছে শুধু হাতের বইয়ে, নয় পতাকায়।
ছাত্রজীবনে রাজনীতির অবদান কম নয়, কিন্তু এখন সময় বদলেছে। leadership নেতৃত্ব চাই মঞ্চে নয়, ল্যাবে।
পরীক্ষা বর্জন ঠিক না। পড়াশোনা থেকে বাধা পেলে সাধারণ ছাত্রই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
গত রাতের ব্যানার পোড়ানো কী ছিল ঘটনার সূচনা, নাকি কৌশল? ট্যাকটিক বোঝা যাচ্ছে না।
আমার ভাই রুয়েটে পড়ে। সে বলে, ক্লাসে প্রতিদিন তালি আর শ্লোগান। disturbance ব্যাঘাত চলছে বছরখানেক।
রাজনীতি নিষিদ্ধ হোক—এটা নতুন কিছু না। কিন্তু প্রশাসন কি সত্যিই স্বাধীন? নাকি ওপর থেকে নির্দেশ?
শুধু রাজনীতি নয়, গোষ্ঠীগত সহিংসতাও বন্ধ হোক। violence সহিংসতা কোনো সমাধান নয়।