হাসপাতালের সিরিঞ্জই যখন শিশুদের জন্য মরণফাঁদ
পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের তউনসা শহরে একটি সরকারি হাসপাতালে new cases হিসেবে উঠে এসেছে শিশুদের মধ্যে এইচআইভি outbreak । বিবিসির গোপন তদন্তে ধরা পড়েছে, একই সিরিঞ্জ বারবার ব্যবহার করার মাধ্যমে children জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলা হচ্ছে। মাত্র ৩৩১ জন শিশুর শরীরে ভাইরাস ছড়ানোর পিছনে রয়েছে চরম অবহেলা এবং স্বাস্থ্যবিধির অবমূল্যায়ন।
মৃত মোহাম্মদ আমিনের বোন আসমা আজ নিজেও এইচআইভি আক্রান্ত। তার মা সুঘরা জানান, ছেলেটি মারা যাওয়ার আগে এতটাই suffering পেয়েছিল যে সে বৃষ্টির মধ্যে শুয়ে থাকতে চেয়েছিল। আসমা বলে, ভাইয়ের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে গিয়েই জানতে পেরেছিল সেও আক্রান্ত। তাদের মতো অনেকের স্বপ্নের সংসার ভেঙে গেছে unsafe practices এর কারণে।
একটি বেসরকারি চিকিৎসক গুল কায়সারানি প্রথম এই public health সংকট চোখে পড়েন। তিনি দেখেন, তার ক্লিনিকে আসা শিশুদের মধ্যে অধিকাংশই তউনসার হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে। রক্ত পরীক্ষার ফলাফল স্পষ্ট: ৯৭ জন শিশুর মায়ের মধ্যে মাত্র চারজনের শরীরে ছিল এইচআইভি। অর্থাৎ, সংক্রমণের উৎস মা নয়, বরং হাসপাতাল। এই evidence সরকারি দাবিকে নাকচ করে।
বিবিসির ফুটেজে ধরা পড়েছে নার্স এবং ডাক্তারেরা reusing করছেন সিরিঞ্জ, আর কেউ কেউ জীবাণুমুক্ত গ্লাভস ছাড়াই ইনজেকশন দিচ্ছেন। এমনকি একজন নার্সকে দেখা গেছে খালি হাতে সংক্রমিত বর্জ্যে হাত দিতে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ শুরুতে পরিচালককে বরখাস্ত করলেও পরে তাকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে — এটি স্পষ্ট করে যে প্রকৃত দায়বদ্ধতা এখনও অনুপস্থিত।
এই ঘটনা শুধু তউনসাতেই নয়, করাচিতেও একই রূপ দেখা গেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তানে ইনজেকশনের প্রতি সাংস্কৃতিক preference এবং ওষুধের অভাবে স্বাস্থ্যকর্মীরা সিরিঞ্জ বাঁচাতে গিয়ে রোগীদের জীবনের ঝুঁকি নিচ্ছেন। আক্রান্ত শিশুরা এখন শারীরিক অসুস্থতা ছাড়াও মুখোমুখি হচ্ছে সামাজিক কলঙ্ক। আসমার মতো শিশুরা বড় হয়ে ডাক্তার হতে চায় — এটাই আজ পাকিস্তানের ভাঙা স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বিরুদ্ধে তাদের সর্ববৃহৎ demand ।
একটা সরকারি হাসপাতালে এমন কিভাবে ঘটতে পারে? ভাবলেই horror ভয় লাগে।
গ্লাভস না পরে কাজ করা, সিরিঞ্জ পুনঃব্যবহার — এগুলো তো মৌলিক নিরাপত্তার বিষয়। এখানে basic rules মৌলিক নিয়ম গুলোই ভাঙা হচ্ছে।
সরকার শুধু মুখে মুখে কথা বলে, কিন্তু কাজে কোনো action কর্ম নেই। যে চিকিৎসককে বরখাস্ত করা হয়েছিল, তাকে আবার নিয়োগ?
আসমা ডাক্তার হতে চায়? এই ছোট্ট স্বপ্নটাই সবচেয়ে বেশি হৃদয়বিদারক।
কেন কেউ প্রতিবাদ করছে না? বাবা-মা চোখের সামনে সিরিঞ্জ পুনঃব্যবহার দেখেও নার্সদের কিছু বলতে পারছে না? ভয় নাকি অসহায়ত্ব?
এইচআইভি শুধু শারীরিক নয়, মানসিক impact প্রভাব এর দিকেও তাকাতে হবে। কলঙ্ক কত বড় শাস্তি।